অনলাইন শপে যারা নরম খেলনা, কুশন, চিপস, লেডিস ব্যাগ কিংবা প্লাস্টিকের হালকা পণ্য বিক্রি করেন, তাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ভলিউমেট্রিক ওয়েট। পণ্যের ওজন মাত্র ৩০০ গ্রাম হলেও কুরিয়ার কোম্পানি অনেক সময় ২ বা ৩ কেজির ভাড়া চার্জ করে। সঠিক বক্স সাইজ নির্বাচন না করলে এই অতিরিক্ত চার্জ এড়ানো যায় না।
ভলিউমেট্রিক ওজন বের করার ফর্মুলা
দেশি ও আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসগুলো নিচের গাণিতিক সূত্র ব্যবহার করে:
ভলিউমেট্রিক ওজন (কেজি) = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা [সেমি]) ÷ ৫০০০
উদাহরণস্বরূপ: আপনার বক্সের সাইজ যদি ৪০ সেমি × ৩০ সেমি × ২০ সেমি হয়, তবে ভলিউম হবে ২৪,০০০ ঘন সেমি। একে ৫০০০ দিয়ে ভাগ করলে ভলিউমেট্রিক ওজন দাঁড়াবে ৪.৮ কেজি। পণ্যের আসল ওজন ৫০০ গ্রাম হলেও আপনাকে ৫ কেজির ভাড়া দিতে হবে।
বাড়তি কুরিয়ার ভাড়া বাঁচানোর ৩টি উপায়
- পণ্যের মাপে বক্স নির্বাচন: পণ্যের চেয়ে অতিরিক্ত বড় কার্টুন ব্যবহার করবেন না; যতটা সম্ভব ফিটিং বক্সে প্যাক করুন।
- বাবল র্যাপ ও পলি ব্যবহার: ভাঙার ভয় না থাকলে শক্ত কার্টুনের বদলে বাবল র্যাপ দিয়ে প্যাক করে সিকিউরিটি পলি ব্যাগে পার্সেল পাঠালে বক্সের অতিরিক্ত সিবিএম কমে যায়।
- আগে থেকেই হিসাব করা: আমাদের Shipping Cost Calculator দিয়ে বক্সের মাপ দিয়ে আগেই দেখে নিন কোন সাইজের বক্সে ডেলিভারি চার্জ কম পড়বে।
ব্যবসায়ীদের অন্যান্য দরকারি ফিচার
ইনভেনটরি কোডিংয়ের জন্য আমাদের SKU Generator ব্যবহার করুন। আর পার্সেলের গায়ে বারকোড ট্র্যাকিং স্টিকার লাগাতে ব্যবহার করুন Barcode Generator।